সোহেলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছিল অবৈধ, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ
পাঁচ বছর আগে প্রতিদ্বন্দ্বীহীন নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের দায়িত্ব পালন অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যে বেতন-ভাতা ও সুবিধা গ্রহণ করেছেন, তা রায়ের অনুলিপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে ফেরত দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসংক্রান্ত তিনটি রুলে চূড়ান্ত শুনানির পর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
২০১৯ সালের ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরীকে।
পরে এ আদেশের বিরুদ্ধে ১০ মার্চ ইসিতে আপিল করেও তারা প্রার্থিতা ফিরে পাননি। এ অবস্থায় ইসির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দুজনই হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
পরে ২০২০ সলে ফেব্রুয়ারি মাসে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরীর পদে থাকা নিয়ে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কাজী জায়েদ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট প্রাথমিক শুনানির পর রুল জারি করেন। তিনটি রুলের চূড়ান্ত শুনানির পর রায়ে এ রায় দিলেন উচ্চ আদালত।
পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলকে বিজয়ী ঘোষণা করলেও আইনি জটিলতায় তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিতে পারেননি। শপথ না নিয়ে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।’
এ আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আদালতে জানিয়েছি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সোহেল ৩৩ লাখ ২৬ হাজার ৬১৯ টাকা বেতন-ভাতা ও যানবাহন সুবিধা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে ফেরত দিতে হবে।’
