ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ছড়াকার হেনার মেয়ের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে টানা ছয় দিন লাইফ সাপোর্টে থেকে নিয়তির কাছে হার মানতে হল অস্মিতা বেগম (১৩)’কে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়ে ঢাকা ভিকারুননিসা স্কুুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী অস্মিতা।

বিকেলে অস্মিতার মায়ের (হেনা নুরজাহান) ইচ্ছা অনুযায়ী হযরত শাহজালাল রহ. দরগাহ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

অস্মিতা বেগম সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের কবি-ছড়াকার হেনা নূরজাহানের কন্যা। তার পিতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডের এমআইএস এন্ড আইসিটির ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আমানত মাওলা। হেনা-আমানত দম্পতির ২ কন্যার মধ্যে অস্মিতা ছিল বড়।

জানা গেছে, অস্মিতার পৈতৃক নিবাস ঢাকার আজিমপুরে। সম্প্রতি অস্মিতাসহ বাবা-মা ও একমাত্র ছোট বোন সারিনা বেগম’সহ এক সাথে পরিবারের সবাই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। তাদেরকে ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করে বাবা-মা ও বোন সুস্থ হয়ে উঠলেও অস্মিতার অবস্থার অবনতি হয়। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য পরবর্তিতে অস্মিতাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মিলেনিয়াম হাসপাতালে। সেখানে টানা ছয়দিন লাইফ সাপোর্টে ছিল সে। অবশেষে তার মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে অস্মিতার মামা বিশ্বনাথের কামালপুর গ্রামের হিমেল আহমেদ বলেন, ঢাকার আজিমপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দুই দফা জানাজা শেষে অস্মিতার লাশ সিলেট নিয়ে আসা হবে। এখানে জানাজা শেষে অস্মিতার মায়ের (হেনা নুরজাহান) ইচ্ছা অনুযায়ী হযরত শাহজালাল রহ. দরগাহ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

অস্মিতার বাবা প্রকৌশলী আমানাত মাওলা বলেন, আমরা স্ব-পরিবারে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হই। অস্মিতার অবস্থা খারাপ হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়। অবশেষে টানা ৬ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করে।

এ বিভাগের অন্যান্য