ন্যাটো সম্মেলনে ইসরাইলের গণহত্যা ইস্যু তুলবেন এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

 

জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বসবে ন্যাটোর শীর্ষ নেতাদের সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের। আগামী ৯-১১ জুলাই অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে যোগ দিয়ে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সহ বেশকিছু ইস্যুতের বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলাপ করবেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

অবশ্য ন্যাটো সম্মেলনের আগে কাজাখস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা এবং আজারবাইজানে অর্গানাইজেশন অব তুর্কিচ স্টেটসের সম্মেলনেও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে এরদোগানের।

এই দুই সম্মেলন শেষ করে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন এরদোগান। সেখানে মূলত ন্যাটোর মিত্রদের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা দেবেন তিনি।

ন্যাটো সদস্যদের মধ্যে তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পিকেকে-কে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু এরপরও যুক্তরাষ্ট্র সহ কয়েকটি দেশ পিকেকে’র সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছে। বিশেষ করে সিরিয়ায় দায়েশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেখানকার পিকেকে উইংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন ওপেন সিক্রেট।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পিকেকে’র সম্পর্ককে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছে তুরস্ক। এর ফলে ন্যাটো সদস্যদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হবে বলেও সতর্ক করেছে তারা। এবারের ন্যাটো সম্মেলনেও পিকেকে ইস্যুতেই অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করবেন এরদোগান।

উল্লেখ্য, আশির দশক থেকে পিকেকে এবং এর বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনে সঙ্গে তুরস্কের লড়াইয়ে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

পিকেকে ইস্যুর বাইরে ন্যাটো সম্মেলনে গাজায় ইসরাইলের রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযানের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবেন এরদোগান। এই সংঘাতে ইসরাইলকে সহায়তা করায় পশ্চিমা শক্তিগুলোর সমালোচনা করেছেন তিনি। এছাড়া লেবাননের সঙ্গে নতুন করে ইসরাইলের যুদ্ধে জড়ানোর পরিকল্পনারও বিরোধিতা করেছেন এরদোগান।

এ বিভাগের অন্যান্য