মুগ্ধসহ ১১ হত্যা মামলার আসামিপক্ষের ডিসচার্জ শুনানি আজ

সিলেটের সময় ডেস্ক :

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর উত্তরায় মীর মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যা মামলায় ডিসচার্জ চেয়ে শুনানি করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গত ২১ জুলাই এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি শেষ হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা দুটি অভিযোগ তুলে ধরে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের আবেদন জানান। ঘটনার বিবরণ, হত্যাকাণ্ডসহ প্রত্যেক আসামির ভূমিকা আদালতের সামনে উপস্থাপন করেন তিনি। পরে আসামিপক্ষের শুনানি শুরু হয়।

ওই দিন নিজের মক্কেলদের অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তার চার মক্কেলকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

একইভাবে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী এম হাসান ইমামও অব্যাহতির আবেদন জানান।

আসামিপক্ষের বাকি আইনজীবীদের শুনানি অসমাপ্ত থাকায় আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ কবে দেবেন সেই বিষয়ে তারিখ ঠিক করতে পারেন আদালত।

এ মামলায় ২৬ আসামির মধ্যে আটজন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ওসি মো. মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল মো. হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা মো. সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মো. শাহ আলম ও তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগকর্মী মো. ইরফানুল হক গাজী। বাকি ১৮ জন পলাতক রয়েছেন।

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ সাতজনকে হত্যা করা হয়। পাঁচজনকে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে গুরুতর আহত করা হয়। পরদিন ১৯ জুলাই একই এলাকায় আরও চারজন নিহত হন। দুটি ঘটনাই পরিকল্পিত, ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

এ বিভাগের অন্যান্য