কুড়িগ্রামে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়কে নিহত বাবা-মেয়েসহ ৫ জন
রংপুর থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ জনে। তাদের মধ্য বাবা-মেয়েও রয়েছে। নিহতদের লাশ একসঙ্গে গ্রামে পৌঁছালে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার উত্তর তিলাই গ্রামে নেমে আসে মাতম। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৯ জন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাগেশ্বরী পৌরসভার বাঁশেরতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আসাদ মোড় এলাকার শামীম হোসেন (৩২), তার মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৮), একই পরিবারের বাবু মিয়ার স্ত্রী তামান্না আক্তার (২৮), জাহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী মিয়া (২৮) এবং ধলডাঙ্গা গ্রামের সাইফুর রহমানের ছেলে মাইক্রোবাসচালক লিমন মিয়া (২৮)।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে লাশগুলো নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ধলডাঙ্গা গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে হামিদুল ইসলাম (২৫), বোর্টহাট গ্রামের আবদুস ছাত্তারের মেয়ে শান্তা, বাগভান্ডার গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে সমের আলী (৬০), ধলডাঙ্গা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে জবা (৩৫), বাবু মিয়া (৪২), মনির মিয়া (৪৫), মুন মিয়া (১০), শিউলি বেগম (৪০) ও সিয়াম মিয়া (৩৫)। তাদের কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিলখুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. কোরবান আলী বাবু বলেন, ‘দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, তিনি চারজনের মৃত্যুর তথ্য পেয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থল নাগেশ্বরী থানার আওতাধীন হওয়ায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা তারা নেবে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ হিল জামান বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
