পরকালে যেসব প্রতিবেশী আল্লাহর কাছে অভিযোগ করবেন
প্রতিবেশীর সঙ্গে অসদাচরণ করার পরিণতি খুবই ভয়াবহ। এর জন্য ইহকালে ও পরকালে আছে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি। এখানে কয়েকটি ক্ষতি উল্লেখ করা হলো :
প্রতিবেশীর সঙ্গে অসদাচরণকারীর ঈমান অপূর্ণ : প্রতিবেশীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা মুমিনের পরিচয় নয়। ঈমানের দাবি হলো, প্রতিবেশীর সঙ্গে উত্তম আচরণ করা এবং তার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
প্রতিবেশীর সঙ্গে অসদাচরণকারী জাহান্নামে প্রবেশ করবে বলে নবী করিম (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলা হলো, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! অমুক নারী রাতে সালাত আদায় করে, দিনে সিয়াম পালন করে, ভালো কাজ করে, দান-খয়রাত করে এবং নিজ প্রতিবেশীকে জিহ্বার দ্বারা কষ্ট দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, সে জাহান্নামি। আবার সাহাবিরা বলেন, অমুক নারী ফরজ সালাত আদায় করে, বস্ত্র দান করে এবং কাউকে কষ্ট দেয় না। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সে জান্নাতি। (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ৯৬৭৩; আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১১৯)
