সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে বসুন্ধরাকে নেওয়ার তোড়জোড়ে আপত্তি গোলাম মাওলা রনির
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে নেওয়ার যে তোড়জোড় চলছে, সে বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
তিনি বলেন, নাগরিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা বোধ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আসার পর আমার কখনো হয়নি। ধানমণ্ডিতে নিজ বাড়িতে ৩০ বছর থেকেছি। এখন আমি বসুন্ধরাতে স্থানান্তর হলাম।
তিনি বলেন, আমরা যারা এখানকার বাসিন্দা রয়েছি, তুলনামূলকভাবে আমরা এই মুহূর্তে নিরাপত্তা বোধ করছি। আমরা এ দেশের নাগরিক, এখানে কয়েক লাখ লোক বসবাস করে, সবাই সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি। অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং এদের হাতে অর্থনীতির অনেক চালিকাশক্তি রয়েছে। কাজেই এদের একটা নিরাপদ জীবন, হ্যাপি লাইফের ওপরে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি নির্ভর করে। সরকার রাজস্ব আয় করতে চায়, সরকার এখানে অংশগ্রহণ করতে চায়, সেটা হতে পারে বিধিমোতাবেক।
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে বাড্ডা রোডে দেখেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে সেই মাদানী এভিনিউ দেখেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে শুরু করে বাড্ডা লিংক রোড রয়েছে, সেখানে গিয়ে দেখেন কী হচ্ছে—মানে একটা সেকেন্ড আপনি ফুটপাতে হাঁটতে পারবেন না। সেখান থেকে আপনি যখন বসুন্ধরার মধ্যে ঢুকবেন ইটস এ নিউ থিং। এটার সঙ্গে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন ছাড়া অন্য কোনো এলাকার তুলনা করা চলে না।
