ওরা ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল : নানক
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে পুনর্বাসন করেছিলেন। আজকে বাংলার মানুষ ও নতুন প্রজন্মের সিদ্ধান্ত হলো ক্ষমতায় ও বিরোধী দলে থাকবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। বিএনপিকে জনগণ যে লাল কার্ড দেখিয়েছে, এটা তাদের বুঝতে হবে। যদি না বোঝেন তাহলে আপনারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে বাধ্য হবেন।
নানক বলেন, ‘ওরা আমাদের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। সেই ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যাকারীরা এখনো বলে গণতন্ত্রের কথা, মানবতার কথা।’
শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের ছেলে জাহিদ আহসান রাসেল এমপির সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি আলাউদ্দিন মিয়া, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্যাহ খান, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্যাহ মণ্ডল, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে একদল সন্ত্রাসী নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আহসানউল্লাহ মাস্টারকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার আইনে এ হত্যা মামলার রায় হয়।
