মিছিল করে নাশকতার চেষ্টা, জামায়াতের ১৬ নেতাকর্মী আটক
জুমার নামাজ শেষে মিছিল করে নাশকতার চেষ্টাকালে দিনাজপুরের বিরামপুরে জামায়াতের ১৬ নেতাকর্মীকে আটক করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে পৌরশহরের পূর্বপাড়া জামে মসজিদ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন- বিরামপুর জোতমাধব এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে জামিল হোসেন (৩৫), চিরির পাড় বুজুরুকগংগাপুর এলাকার কফিল উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আব্দুল মান্নান (৬৫), শ্যামনগর এলাকার আমিরুল্লাহর ছেলে মোজাফ্ফর রহমান (৭৩), পার্বতীপুর উপজেলার লালবিলাস এলাকার আব্দুল গফুরের ছেলে জিয়াউর রহমান (৩৭), বিরামপুর খিয়ারমামুদপুর এলাকার কাইমুদ্দিনের ছেলে নুরুজ্জামান (৪০), মাধুপুর এলাকার তয়েজ উদ্দিনের ছেলে ওমর ফারুক (৩২), পার্বতীপুর এলাকার তাজনগর কাজীপাড়া এলাকার মনজের আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান (১৮), মুকুন্দপুর এলাকার আব্দুল হকের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪০), একই এলাকার মহব্বতুল্লাহের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫৫), বুজরুগঙ্গা এলাকার আবু তালেবের ছেলে আক্কাস আলী (৩২), ফুলবাড়ী উপজেলার হরিপুর এলাকার ইব্রাহীম আলীর ছেলে ইসমাঈল হোসেন (৩২), বিরামপুর পূর্বজগন্নাথপুর এলাকার ছয়মুদ্দিনের ছেলে সামসুদ্দিন আহম্মেদ (৫৫), কলেজপাড়া এলাকার তাছের উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫৫), নবাবগঞ্জ উপজেলার ফুলবান্দা এলাকার শওকত আলীর ছেলে নাঈম ইসলাম (১৮), টাটকপুর এলাকার এম এ মতিনের ছেলে সাজ্জাদুর রহমান (৩২), চাঁদপুর এলাকার দরবেশ মিয়ার ছেলে তোতামিয়া (৬৭)।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষে বিরামপুর পৌরশহরের পূর্বপাড়া মসজিদ থেকে ৮০ থেকে ১০০ জন নেতাকর্মী নিয়ে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা, আমীরে জামায়াতসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-উলামাদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। মিছিলটি দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে ওঠে। এ সময় সেখানে যানচলাচলের বিঘ্ন করে নাশকতার চেষ্টা চালায় তারা। অতর্কিত হামলার প্রাক্কালে পুলিশি অভিযানে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, ‘শহরের মধ্যে মিছিল করে নাশকতা করার চেষ্টাকালে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের ১৬ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
