শুভেন্দুর দাবি প্রত্যাখ্যান বিজিবির
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এ দাবি সরাসরি নাকচ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
তিনি আরো বলেন, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
মে মাসে নির্বাচনে বিপুল জয় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
গত রবিবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় না আসা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করেছি।
তিনি জানান, মে মাসে রাজ্যের সব জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপন করেছে সরকার।
তিনি আরো বলেন, এই কেন্দ্রগুলো থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে ৮৩৬ জন এই আটককেন্দ্রগুলোতে রয়েছেন জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা এই ৮৩৬ জনকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। তার এমন বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিজিবি-র উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ দাবি করেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে কোনো মানুষ পাঠানোর তথ্যের ভিত্তি নেই।
পুশইনের প্রয়াস সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনোভাবেই পুশইন গ্রহণযোগ্য নয়। যদি কোনো দেশে অন্য কোনো দেশের নাগরিকরা অবৈধভাবে থেকে থাকেন, তাদের সেই দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিউর আছে। সেটা দুই দেশ একটা ভেরিফিকেশন প্রসেসের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পুশইন বেআইনি এবং অবৈধ।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে যদি ভারতের পক্ষ থেকে সেখানে অবৈধভাবে বসবাসকারী কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের তালিকা দেওয়া হয়ে থাকে সেটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়। এটা আমাদের জানা নেই।
সূত্র : ডয়চে ভেলে
