মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নেওয়া হচ্ছে না বিজয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

 

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে আজ বৃহস্পতিবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা ছিল অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়ের। তবে রাজ্যের গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর এখনো বিশ্বাস করেন না যে সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যা টিভিকের আছে। আর এ কারণেই আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া হচ্ছে না থালাপতির।

বর্তমান আনুষ্ঠানিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কংগ্রেস ইতোমধ্যে বিজয়ের দলকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে এবং আরও কয়েকটি ছোট দল বা স্বতন্ত্র বিধায়ক টিভিকের পাশে আসতে পারেন। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে বিজয়ের দলের আরও এক-দুই দিন সময় লাগতে পারে।

এরই মধ্যে রাজ্যপাল বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন। এরপর তিনি কেরালার উদ্দেশে রওনা হন, যেখানে তিনি রাজ্যপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার (৭ মে) রাজ্যপালের সঙ্গে এক বৈঠকে বিজয় পরবর্তী সরকার গঠনের দাবি পেশ করেন। সূত্র জানিয়েছে, টিভিকে সাধারণ সম্পাদক আধভ অর্জুনও তাদের আইনি দলকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যপালের সাথে দেখা করবেন।

তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলেও ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিজয়ের টিভিকে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের আরও অন্তত ১০টি আসনের প্রয়োজন ছিল। কংগ্রেসের পাঁচটি আসনের সমর্থনে এই সংখ্যা ১১২-তে পৌঁছেছে (বিজয় যে দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন তার মধ্যে একটি বাদ দিয়ে), যার ফলে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়ার জন্য টিভিকের আরও ৬টি আসন প্রয়োজন।

পরবর্তী স্বাভাবিক পদক্ষেপ হলো বিজয়কে বিধানসভায় তার সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। কংগ্রেস ছাড়া আর কারা নির্দলীয় প্রার্থীসহ বিজয় শিবিরের অংশ হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।

এদিকে সম্ভাব্য জোট নিয়ে বিভিন্ন দলের মধ্যে আলোচনা চলছে। ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিআই(এম) এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি। বাম দলগুলো নিজেদের অবস্থান নির্ধারণে আরও সময় চেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি আসন, এআইএডিএমকে ৪৭টি, পিএমকে ৪টি এবং আইইউএমএল ২টি আসন। এছাড়া সিপিআই ও সিপিআই(এম) পেয়েছে দুটি করে আসন। বিজেপি, ডিএমডিকে ও এএমএমকে একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য