৯ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে শ্রীমঙ্গল
সিলেটের সময় ডেস্ক :
হাওর, পাহাড় ও চা বাগান বেষ্ঠিত এলাকা মৌলভীবাজার জেলায় জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার ৯৩ টি চা বাগানের চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত রবিবার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি ও শনিবার ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা থাকায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কাজে যেতে হচ্ছে চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবিরা। তবে শ্রমিকদের পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় শীতের মধ্যে কষ্ট করে কাজ করছেন। এছাড়া বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ, যাদের বেশির ভাগকেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে হয়। জেলায় প্রত্যন্ত এলাকায় রাতে ও সকালে ঠান্ডার কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদিন কুয়াশচ্ছন্ন আকাশ ছিল, সূর্যের দেখা মেলেনি এবং একই অবস্থা আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই। এতে ফুটপাত নিম্ন আয়ের মানুষের শীতের গরম কাপড় কিনার ধুম লেগেছে।। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এ ছাড়াও দিনের বেলা রোদের দেখা মিললেও কমেনি শীতের তীব্রতা।
অপরদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় থাকছেই। হাসপাতালে প্রতিদিন শিশু,বৃদ্ধ নারী ও পুরুষ রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, কয়েকদিন পর আজ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মৃদু শৈত্য বয়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
