জামায়াতের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন ও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমাদের তিনটি জায়গায় ঘোরতর আপত্তি আছে। প্রথমত হচ্ছে, যেই জুলাই সনদে আমরা স্বাক্ষর করেছি, সেদিন আমাদের পুরো ডকুমেন্টটি দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ঐকমত্য কমিশনে যে বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে এবং একমত হয়েছে, সেগুলোর প্রতিফলন মূল সনদে দেখা যাচ্ছে না। তার দুটি স্পেসিফিক উদাহরণ আমাদের দলের মহাসচিব ক্লারিফাই করেছেন।
তিনি আরো বলেন, বলা হচ্ছে ২৭০ দিনের মধ্যে পরবর্তী পার্লামেন্ট, যেটা সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবে, সেখানেও বিএনপির আপত্তি আছে। কারণ, এই সংবিধান সংস্কার পরিষদের ব্যাপারে ঐকমত্য কমিশনে আলোচনা হয়নি বা দলগুলো একমত হয়নি।
রুমিন ফারহানা বলেন, আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি সুপ্রিম ল নিয়ে কথা বলছেন।
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, গণভোটের ব্যাপারে বিএনপির কথা আছে। নির্বাচনের সময় যদি আপনি গণভোটের আয়োজন করেন এবং যেখানে নির্বাচন নিজেই বলছে তাদের দেড়মাস সময় দিতে হবে। আজকে থেকে যদি ধরি, তাহলে ডিসেম্বরের ১৭ তারিখের আগে এই গণভোট আয়োজন করা সম্ভব নয়। এটা নির্বাচন কমিশনের কথা। তাদের হিসাব অনুযায়ী, তিন হাজার কোটি টাকা বাড়তি লাগবে। আপনাকে যদি গণভোট আয়োজন বা ভিন্ন তারিখে করতে হয়। এগুলো নিয়ে বিএনপির দ্বিমত আছে। কিন্তু অন্যান্য দলগুলো যদি মনে করে একেক সময় একেকটি ইস্যু সামনে নিয়ে এসে নির্বাচনটিকে ডিলে করবে এবং এর মধ্য দিয়ে তারা কিছু সুবিধা নেবে, সেটা তারা ভাবতে পারে। আপনি যদি সার্বিক দিক বিবেচনা করেন, সেটা সরকার, অর্থনীতি বা আইনশঙ্খলার তরফ থেকে বলেন এই একটি নির্বাচিত সরকার বা আসু ইলেকশন ছাড়া বাংলাদেশ অন্য কিছু ইফোর্ট করতে পারে না।
জামাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের যতগুলো পলিটিক্যাল পার্টি আছে, কোনো দলের এত আগে থেকে এত ভালো প্রিপারেশন নাই জামায়াতের প্রিপারেশন যতটা ভালো। তাহলে তারা কেন নিম্নকক্ষে পিআর নিয়ে কথা বলছে। তাদের ৩০০ আসনে ক্যান্ডিডেট। ফজরের ওয়াক্ত থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত তারা ক্যাম্পেইন চালায়। তারপর আসর থেকে রাত পর্যন্ত ক্যাম্পেইন চালায়। এটা হচ্ছে তাদের স্ট্রাটেজি। ১০/১২ মাস ধরে তারা এ স্ট্রাটেজি ফলো করছে। এই যে প্রিপারেশন নিজের ঘরে শতভাগ রেখে অন্য দলকে পুশ করছে নির্বাচনকে ডিলে করার সুবিধার নেওয়া জন্য, এটা ঠিক না।
