‘নির্বাচনে বাধা দেওয়া বিএনপির বিরুদ্ধে কেন ভিসানীতি আসেনি’
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকায় আওয়ামী লীগ বিস্ময় প্রকাশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি প্রকাশ্যে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাহলে এখনো কেন তাদের বিরুদ্ধে ভিসানীতি আসবে না, কেন তাদেরকে ভিসানীতি দেওয়া হচ্ছে না।’
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের অফিসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের কাছে নির্বাচন হলো উৎসব, গণতন্ত্রের উৎসব। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বরং তীব্র শীত উপেক্ষা করে জনগণ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এবং ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন এক হাজার ৯৭০ জন। যার মধ্যে ৪৩৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষ নির্ভয়ে ভোট দেবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘৭ জানুয়ারি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া হবে।
নির্বাচনের দিন বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হরতাল এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি মরচে ধরা হাতিয়ার। হরতাল ও অবরোধ এখন বিএনপির কর্মসূচিতে আছে বাস্তবে নেই।’
বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৩তম অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে দুই হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলার। শেখ হাসিনার ওয়াদা অনুযায়ী আজ দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। পাশাপাশি দারিদ্র্যের হার কমে হয়েছে মাত্র ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ, অতিদারিদ্র্য কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ এবং মানুষের গড় আয়ু বেড়ে ৭২ বছর আট মাস হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত অশুভ জোট ক্ষমতায় আসার পর সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিমরোলার চালায়। আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মী ও ১৬ জন সাংবাদিককে হত্যা করে।’
