রাজধানীতে ৮ বছরের শিশুর মাথা-বিচ্ছিন্ন দেহ, সন্দেহভাজন সোহেল আটক
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানাকে আটক করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের প্রায় সাত ঘণ্টার মাথায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি বাসা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাঠানো হয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইকবাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা বাসায় গিয়ে শিশুটিকে উদোম গায়ে মাথাবিহীন অবস্থায় পাই। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে লাশ মর্গে পাঠানো হয়। আগামীকাল তার ময়নাতদন্ত হবে।’
মরদেহের বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, শিশুটির মাথাই শুধু বিচ্ছিন্ন করা হয়নি। কাঁধের অংশ থেকে দুই হাত কাটা ছিল। চামড়ার সঙ্গে ঝুলে ছিল হাত। এ ছাড়া যৌনাঙ্গের পাশেও বড় ক্ষতচিহ্ন ছিল।
পল্লাবী থানার আরেক পুলিশ কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া রিপন নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহেলকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শিশুটিকে হত্যার পর সোহেল ও তার স্ত্রী বাসার ভেতর থেকে দরজা আটকে ভেতরে অবস্থান করছিলেন। বাইরে হৈ-হুল্লোড় শুরু হলে সোহেল ঘরের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে স্ত্রীকে স্থানীয়রা আটক করে। পরে মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে সোহেলের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লাহ থেকে আমরা আটক করতে সক্ষম হই।’
সোহেল ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুরো ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়া যাবে বলেও জানান অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া।
