ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর ২০ পর্বতারোহী নিখোঁজ
ইন্দোনেশিয়ার হালমাহেরা দ্বীপের মাউন্ট ডুকোনো আগ্নেয়গিরিতে আজ ভোরে বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ কিলোমিটার উঁচু পর্যন্ত ধোঁয়ার মেঘ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ২০ জন পর্বতারোহী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক।
উদ্ধার কর্মকর্তা ইওয়ান রামদানি জানান, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গেছে। তবে এখনো কেউ আহত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি বলেন, নিখোঁজ সবাই পর্বতারোহী।
সরকারি ভূতত্ত্ব সংস্থার প্রধান লানা সারিয়া জানান, অগ্ন্যুৎপাতের সময় আগ্নেয়গিরি থেকে ঘন ধোঁয়া আকাশে উঠে যায় এবং বড় গর্জনের শব্দ শোনা যায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগ্নেয়গিরির ছাই উত্তর দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই আশপাশের আবাসিক এলাকা ও টোবেলো শহরের বাসিন্দাদের আগ্নেয় ছাই বৃষ্টির বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ প্রধান এরলিখসন পাসারিবু বিবিসিকে বলেছেন, তারা খবর পেয়েছেন, অগ্ন্যুৎপাতে দুইজন সিঙ্গাপুরীয় পর্বতারোহী মারা গেছেন। বিবিসি ইন্দোনেশিয়ানকে দেওয়া এক ফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, উদ্ধারকারীরা পর্বতারোহীদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দোনেশিয়ার অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থা বাসারনাস এই ছবিগুলো প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কর্মীরা সরঞ্জামসহ একটি স্ট্রেচার বহন করে পাহাড় বেয়ে উঠছেন।
মাউন্ট ডুকোনো বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার চার ধাপের সতর্কতা ব্যবস্থার তৃতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা স্তরে রয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকেই দেশটির আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা পর্যটক ও পর্বতারোহীদের আগ্নেয়গিরির মালুপাং ওয়ারিরাং জ্বালামুখের চার কিলোমিটারের মধ্যে না যেতে পরামর্শ দিয়ে আসছে।
উত্তর হালমাহেরার পুলিশ প্রধান এরলিখসন পাসারিবু বিবিসিকে জানিয়েছেন, মাউন্ট ডুকোনো থেকে পর্বতারোহীদের সরিয়ে আনতে পুলিশ কর্মকর্তাদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। তেরনাতের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার ডুকোনোতে একটি গারমিন ডিভাইস থেকে তারা একটি জরুরি এসওএস সংকেত পেয়েছে।
