চুরির মামলার তদন্তে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ
ফরিদপুরে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী (৩৩) আদালতে অভিযোগ দিয়েছেন। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্য ভাঙ্গা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম সজল মাহমুদ (৪০)। তিনি ভাঙ্গা থানায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ওই নারী অবিবাহিত। গত ২০ অক্টোবর তার বাড়িতে চুরি হলে তিনি থানায় যান। গত ২৪ অক্টোবর এএসআই সজল তদন্তের নামে রাতে বাড়িতে ঢুকে তার সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এ ঘটনা কাউকে বললে তাকে খুন ও গুম করার হুমকিও দেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। এক পর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হন। পরে তাকে বিয়ের কথা বলে গত ৩০ জানুয়ারি ভাঙ্গা বাজারে নিয়ে একটি মেডিক্যাল সেন্টারে রেখে পালিয়ে যান।
লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়, গত ৩১ জানুয়ারি তিনি এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানায় গিয়ে ওসিকে বিষয়টি খুলে বলেন। ওসি মুঠোফোনের সজলকে ডেকে নেন। পরে সজল ওই নারীকে পুলিশ কোয়াটারে নিয়ে কিছু কাগজপত্র ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেন। তিনি স্বাক্ষর করার পর সজল বলেন ‘তুমি আমাকে বিয়ে করেছো এবং তালাক দিয়েছো।’ পরে তাকে মারধর করে থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. হেললাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, প্রশাসনিক কারণে এএসআই সজলকে গত ১০ দিন আগে ফরিদপুর পুলিশ লাইনস -এ বদলি করা হয়েছে।
