এজলাসে পুলিশ সদস্যকে ব্লেডের পোঁচ

সিলেটের সময় ডেস্কঃ

মুন্সীগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাস কক্ষে বহিরাগত এক ব্যক্তির ব্লেডের পোঁচে মোহাম্মদ আলী (৫৭) নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত মোহাম্মদ আলীকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ জালাল হোসেন (৫৭) ও রিনা বেগমকে (৪৫) আটক করেছে।

পুলিশ সদস্য মো. আলীকে ছুরিকাঘাতের বিষয়টি কোর্ট পুলিশের ইনচার্জ জামাল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

আটক জালাল সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়ের মিরেশ্বরাই এলাকার আলমাসের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে এজলাসের বিচারিক কার্যক্রম চলছিল। এ সময় জালাল নামের ওই বহিরাগত ব্যক্তি পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে এ হামলা করে। এ সময় ধারালো ব্লেড দিয়ে আঘাত করলে জখম হয় মোহাম্মদ আলী। তাৎক্ষণিক উপস্থিত অন্য পুলিশ সদস্যরা জালাল ও তার স্ত্রীকে আটক করে। আহত মোহাম্মদ আলীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এদিকে, জালাল-রিনা দম্পতি কী কারণে আদালতে গিয়েছিল তা জানাতে পারেনি পুলিশ। একইসঙ্গে পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে জালালের বিরোধের বিষয়টিও জানা যায়নি।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মোহাম্মদ নাজমুল হোসেন জানান, আদালত চলাকালে ওই ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে পরে। এরপর বহিরাগত লোকটি তার হাতে থাকা ব্লেড দিয়ে পুলিশ কনস্টেবলকে পোঁচ মেরে আহত করেন।

মুন্সীগঞ্জ  কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. জামাল উদ্দিন জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আমাদের কনস্টেবল মো. আলী আদালতের ভেতরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুপুর দেড়টার  দিকে শাহজালাল নামে এক ব্যক্তি তার পিঠে ব্লেড দিয়ে পোঁচ দেন। শাহজালালের সঙ্গে কনস্টেবল আলীর কোনো কথা কাটাকাটিও হয়নি। কী জন্য তিনি পোঁচ দিলেন তা আমরা এখনো জানি না।

জালাল আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাহজালাল আদালতে হাজিরা দিতে আসেননি। কী জন্য এসেছিলেন সেটা আমাদের জানা নেই।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মো. তারিকুজ্জামানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করে তদন্ত চলছে বলে জানান।

মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এমএম কালাম প্রধান জানান, দুপুর ২টার দিকে আহত মোহাম্মদ আলীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার পিঠে ও কনুইয়ে আঘাত রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য