মৌলভীবাজারে স্ত্রীকে হত্যার পর মাটির নিচে পুঁতে রাখেন স্বামী, লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

সিলেটের সময় ডেস্ক :

 

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সুনাটিকি গ্রামে স্ত্রীকে হত্যা করে বাড়ির উঠানের সামনের টিলায় প্রায় ৮ ফুট মাটির নিচে লাশ পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নিহত জায়েদা বেগম (৩৮) সুনাটিকি গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে। প্রধান অভিযুক্ত একই ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগান এলাকার আলমগীর আলী (৪০)।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুন থেকে জায়েদা নিখোঁজ ছিলেন। স্বামী আলমগীর দাবি করেন, তিনি সৌদি আরবে চলে গেছেন। তবে সন্দেহ হলে ৩ জুলাই রাজনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিহতের বাবা। তদন্তের একপর্যায়ে আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ বাড়ির উঠানের সামনে মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

সোমবার জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম ও রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিপুল সিকদারের উপস্থিতিতে পুলিশ আলমগীরের দেখানো স্থান থেকে ৮ ফুট গভীর থেকে জায়েদার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় আলমগীর আলীর পাশাপাশি জালাল আহমদ, আমিনুল ইসলাম ও নুরুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিহতের বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, মেয়েকে বিদেশে পাঠানোর দাবি করলেও আলমগীর কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য