মমতাকে খোঁচা দিলেন শুভেন্দু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় পর প্রথমবারের মতো রাজপথে কর্মসূচিতে অংশ নিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই কর্মসূচীকে কেন্দ্র করেই মমতাকে কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
কলকাতার ধর্মতলায় আয়োজিত ধর্না কর্মসূচি থেকে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান হাতে নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।
দলের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘আমি কারও সুদিনে না-হোক, দুর্দিনে আছি।’ তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি ছাড়া প্রায় সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি বলেন, ‘বেঁচে থাকলে বিজেপিকে সরিয়েই যাব।’
ধর্মতলার কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তৃণমূল নেত্রী। নির্বাচনী পরাজয়ের পর দলের কর্মীদের মনোবল চাঙা করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
এদিকে, হুগলির তারকেশ্বর সফরে গিয়ে মমতার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার সমাবেশে প্রত্যাশিত জনসমাগম হয়নি।
শুভেন্দু খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘একজন ছবি পাঠিয়েছিল। এত দুরবস্থা আমি জানতাম না। দেড়শো লোকও আসেনি। সাংবাদিকের সংখ্যাই ছিল প্রায় দুইশো। সাংবাদিকেরা না থাকলে অবস্থা আরও করুণ হতো।’
এদিকে তারকেশ্বর উন্নয়ন নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৭ সালের ১ জুন তারকেশ্বর উন্নয়ন পরিষদ গঠন করা হয়েছিল। সংস্থাটির চেয়ারম্যান করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমকে, যা সে সময় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
শুভেন্দুর দাবি, গত এক দশকে উন্নয়ন পরিষদ কিছু কাজ করলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক প্রকল্প শেষ করতে পারেনি। তিনি জানান, তারকেশ্বরের উন্নয়নের জন্য তার সরকারের বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
