হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলি, তদন্তে সিক্রেট সার্ভিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

 

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের নিকটবর্তী এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস।

নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বরা হয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার ভোররাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও সন্দেহভাজন ব্যক্তি এখনো ধরা পড়েনি। ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্টের সিক্রেট সার্ভিস।

কর্তৃপক্ষ জানায়, হোয়াইট হাউসের ঠিক উত্তর পাশে অবস্থিত লাফায়েট পার্কের আশপাশে এই গুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি মধ্যরাতের কিছু পরেই ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে সিক্রেট সার্ভিস জানায়, তারা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টংমেন্ট অব দ্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া  এবং ইউনাইটেড স্টেটস পার্ক পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও একটি সম্ভাব্য গাড়ির সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে। তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

এদিকে, হোয়াইট হাউসের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত সতর্কতা। গুলির পেছনের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, সংস্কার কাজের কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে লাফায়েত পার্ক এলাকা আংশিকভাবে ঘেরা রয়েছে।

ঘটনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই অবস্থান করছিলেন।

সিক্রেট সার্ভিস জানায়, হোয়াইট হাউসের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। 

তদন্তের কারণে এলাকাটির কিছু সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল, তবে পরে সেগুলো আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। সিক্রেট সার্ভিসের একজন প্রতিনিধি বিবিসিকে তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং জানান, ইস্টার উপলক্ষে এই সপ্তাহে ট্রাম্প ‘হোয়াইট হাউস ও ওভাল অফিসে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন’।

সাম্প্রতিক সময়ে এটি হোয়াইট হাউস ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগের আরেকটি ঘটনা। এর আগে ফ্লোরিডায় পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছিল। তখন সেখানে অবস্থান করছিল প্রেসিডেন্টের সরকারি বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান।

এ বিভাগের অন্যান্য