১৯৬৭ সালের পর প্রথমবার ঈদের দিনে বন্ধ আল আকসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

 

ঈদের দিনে এমন দৃশ্য অনেকেই কল্পনাও করেননি। ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম পবিত্র আল আকসা মসজিদ ঈদুল ফিতরের দিনে মুসল্লিদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে শত শত ফিলিস্তিনি মুসল্লি বাধ্য হয়ে মসজিদের প্রবেশদ্বার ও আশপাশের রাস্তায় নামাজ আদায় করেছেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী আল আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দেয়। প্রধান ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় মুসল্লিরা ভেতরে ঢুকতে পারেননি।

শুক্রবার ইসরায়েলি সেনারা মসজিদের ভেতরের চত্বরে প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের দামেস্ক গেট এলাকায় মুসল্লিরা জড়ো হন। সেখান থেকেই তারা সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান থেকে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

জেরুজালেম গভর্নরেট এই পদক্ষেপকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। ওয়াফা সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই উদ্যোগের লক্ষ্য নতুন জুডাইজেশন বাস্তবতা চাপিয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি, ইসলামি পরিবেশ থেকে মসজিদটিকে বিচ্ছিন্ন করা।

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর গত ২১ দিন ধরে আল আকসা মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল।

অন্যদিকে গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ঈদ পালন করেছেন ফিলিস্তিনিরা। খোলা জায়গা ও ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের সামনে পরিবারগুলো ঈদের নামাজ আদায় করতে সমবেত হন।

গণহত্যা, বাস্তুচ্যুতির মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও মুসল্লিরা ঈদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজার প্রায় ১ হাজার ২৪০টি মসজিদের মধ্যে ১ হাজার ১০০টির বেশি ধ্বংস হয়ে গেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য