গাজা দখলের যে ৫ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

 

গাজা উপত্যকা দখলের জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে দেশটির নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি। মন্ত্রিসভা যুদ্ধ শেষ করার জন্য পাঁচটি নীতিও গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নয় এমন একটি বিকল্প বেসামরিক সরকার গঠন করা। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, সেনাবাহিনী গাজার নিয়ন্ত্রণ নেবে যেখানে লাখো ফিলিস্তিনি বাস করেন।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপ ইসরায়েলেও বিরোধিতার মুখে পড়েছে। হামাসের হাতে জিম্মিদের পরিবারগুলোও বলছে, এর ফলে জিম্মিদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। আরও বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

পরিকল্পনাটি অনুমোদিত হওয়ার আগে দেশটির সামরিক নেতৃত্ব ও বিরোধী দলও সতর্কতা উচ্চারণ করে বলছিল, গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষোভের মধ্যে এই পদক্ষেপ ইসরায়েলকে আরও বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতেও ফেলবে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় গাজা শহর দখলের অনুমোদিত পরিকল্পনা এবং ‘যুদ্ধ শেষ করার জন্য পাঁচটি নীতি’ সম্পর্কে বিস্তারিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে, যা মন্ত্রিসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে বেসামরিক জনগণকে মানবিক সহায়তা প্রদানের সময় আইডিএফ গাজা শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেবে।’

“যুদ্ধ শেষ করার” জন্য যে নীতিগুলো নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে আছে––

১. হামাসের নিরস্ত্রীকরণ।

২. জীবিত ও মৃত উভয় ধরনের জিম্মিকে ফেরানো।

৩. গাজা উপত্যকার নিরস্ত্রীকরণ।

৪. গাজা উপত্যকার ওপর ইসরায়েলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ।

৫. হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নয় এমন একটি বিকল্প বেসামরিক সরকার গঠন।

বিবৃতির উপসংহারে বলা হয়েছে, ‘মন্ত্রিসভার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা বিশ্বাস করেছিলেন যে মন্ত্রিসভার কাছে উপস্থাপিত বিকল্প পরিকল্পনা হামাসের পরাজয় বা অপহৃতদের ফিরিয়ে আনতে পারবে না।’

এ বিভাগের অন্যান্য