মৃত্যুর ১৪ দিন পর বাড়িতে এল প্রবাসীর মরদেহ
সিলেটের সময় ডেস্ক :
যশোরের শার্শা উপজেলার গ্রিস প্রবাসী তরিকুল ইসলাম মুকুলের (৪৫) কফিনবন্দি মরদেহ মৃত্যুর ১৪দিন পর দেশে পৌঁছেছে। তিনি উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের পাড়ের কায়বা গ্রামের মৃত দ্বীন আলী গাজীর ছেলে। চলতি মাসের মার্চের ৮ তারিখে গ্রিসের এথেন্সে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।
আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
গতকার শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গ্রিস থেকে মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ১১টার দিকে মরদেহ গ্রহণ করে তার পরিবার।
তরিকুল ইসলাম মুকুলের পরিবারে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহত মুকুলের স্ত্রী মাহামুদা খাতুন বলেন, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় এবং পরিবারকে সুখে রাখতে ২০০৪ সালে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যায় মুকুল। ২২ বছর ধরে সেখানে প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন তিনি। মাঝেমধ্যে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে যেতেন। চলতি বছরের জুন মাসে ছুটিতে দেশে আসার কথা ছিল তার। চলতি মাসের মার্চের ৮ তারিখে গ্রিসে হৃদযন্ত্র ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুতে এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম। কী করব, ভেবে পাচ্ছি না।
এদিকে আজ শনিবার ভোর ৫টার দিকে তার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স পাড়ের কায়বা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে যায়। এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি দেখা যায়। সকালে তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ডা. কাজী নাজিব হাসান জানান, প্রবাসে কেউ মারা গেলে বা তার মরদেহ ফেরত আসলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ওই পরিবারকে সহযোগিতা করা হয়। সে ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ আসলে নিহত মুকুলের পরিবারকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করব।
