বাবার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ ঋতাভরীর
কলকাতার শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ ঋতাভরী চক্রবর্তী। ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ নাটকে অভিনয়ের পর অসম্ভব জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। করেছেন টলিউডের সিনেমাও। বর্তমানে বড় পর্দা নিয়েই বেশি ব্যস্ততা অভিনেত্রীর।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে বাবা ও মায়ের মধ্যে হওয়া ঝামেলা, অতীতের তিক্ততা নিয়ে কথা বলেন ঋতাভরী। অভিনেত্রী জানান, বাবা উৎপলেন্দু তার গায়েও হাত তুলতেন। ঋতাভরী বলেন, ‘আমার বায়োলজিক্যাল বাবা, আমি তখন এতটাই ছোট, বয়স ওই ৩-৪ হবে! মায়ের ভাষায় ওইটুকু বাচ্চার গায়ে জায়গা কোথায় মারবার? সেটা করা থেকেও যখন উনি বিরত থাকতে পারলেন না, তখন মাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। মাকে বেরিয়ে আসতে হয়।
ঋতাভরী আরো বলেন, ‘আমার মা বারবার বেরিয়ে আসতেন। আমার বাবা আবার এসে ক্ষমা চাইতেন। মা ভালো তো বাসত, মনে করতেন হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। এবার শুধরে যাবে।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে বাবা উৎপলেন্দু প্রসঙ্গে ঋতাভরী জানিয়েছিলেন, ‘লোকটাকে চোখেই দেখিনি। শুধু কথা শুনেছি। আমার মা আর আমার দিদিকে কী কী সহ্য করতে হয়েছে সেগুলো শুনেছি। আর হালকা কিছু স্মৃতি আছে চার বছর বয়সের। তবে এখন আর কোনো অশ্লীল কথা বলতে চাই না। উনি অসুস্থ।’
২০২৪ সালের ২০ আগস্ট মারা যান ঋতাভরীর বাবা উৎপলেন্দু চক্রবর্তী। তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের স্বনামধন্য পরিচালক। আন্তর্জাতিক পুরস্কার, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারে ভূষিত হন এ নির্মাতা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দুই মেয়ে ও স্ত্রীর থেকে আলাদাই ছিলেন তিনি।
