রাসেলস ভাইপার ধরার জন্য পুরস্কার প্রত্যাহার করল ফরিদপুর আ. লীগ

সিলেটের সময় ডেস্ক :

 

জীবিত হোক বা মৃত, কোনো প্রকার রাসেলস ভাইপার ধরে আনার জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। রবিবার (২৩ জুন) নিজের ফেসবুক একটি পোস্ট দিয়ে এই পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহার করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামিম হক।

এর আগে ফরিদপুরে রাসেলস ভাইপার জীবিত ধরতে পারলে বা মারতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেয় জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা। ঘোষণার পর আবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিও দেন তারা।

এই পুরস্কার ঘোষণার পর বনবিভাগের পক্ষ থেকে এটি আইনসিদ্ধ নয় বলে সমালোচনা করা হয়। পরে বিজ্ঞপ্তিতে সংশোধনী আনা হয়। তিনদিন পর আজ রবিবার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল জেলা আওয়ামী লীগ।
 

শামীম হক তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘জীবিত বা মৃত কোনো প্রকার রাসেলস ভাইপারের জন্য কোনো পুরস্কার নেই।

’তিনি বলেন, ‘বর্তমানে রাসেল ভাইপার একটি আলোচিত বিষয়, পাশাপাশি জনগণের জন্য হুমকি স্বরূপ। এটি অত্যন্ত বিপদজনক বিধায় যেকোনো পুরস্কার বা কৌতূহলবশত এ সাপ নিয়ে অতি উৎসাহী হবেন না। জীবিত বা মৃত কোনো প্রকার রাসেলস ভাইপারের জন্য কোনো পুরস্কার নেই।’

সাপ দেখলে তা ধরা বা মারার চেষ্টা না করে প্রয়োজনে জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩ নম্বরে কল করুন অথবা নিকটস্থ বন বিভাগের অফিসকে অবহিত করতে অনুরোধ জানান শামীম হক।

 

এদিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কারের আশায় জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে হাজির হন রেজাউল খান (৩২) নামের এক কৃষক।

এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘শনিবার বিকেলে জেলা সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকার ফসলি জমিতে চাষ করার সময় এই রাসেলস ভাইপারটি দেখতে পাই। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় সাপটিকে অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলে ভরে ফেলি। পরে প্লাস্টিকের নেটের ‌ আবরণ দিয়ে পাতিলের মুখ বন্ধ করে দিই। ’

রেজাউল আরো বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছে জেনেছি, জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপ ধরতে পারলে ফরিদপুরের নেতারা পুরস্কার দেবেন।

এ কারণেই জীবিত সাপটি ধরে এনেছি।’
এ বিভাগের অন্যান্য