এমপি আনার হত্যা : গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপনে কয়েকজন নেতা
সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে একের পর এক চাঞ্চল্য। গত মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল। তারপর থেকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে রয়েছে ঝিনাইদহের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করেনি তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আনারের পরিবারের পক্ষ থেকে তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন গতকাল বুধবার (১২ জুন) দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছেন। তারপর থেকে ওই নেতাদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
আনারের ভাই এনামুল হক ইমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধী প্রতিপক্ষরাই জড়িত। ২০১৭ সালেও প্রতিপক্ষরা আমার ভাইকে হত্যার জন্য চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম অপু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে আনার হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আমাদের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ আরো কয়েকজন নেতা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা লোকমুখে শুনেছি। আমাদের জনপ্রিয় এমপি হত্যাকাণ্ডের সাথে যত বড় প্রভাবশালীরাই জড়িত থাকুক না কেন, আমি চাইব তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।’
