আওয়ামী লীগ বিরোধী দল নিশ্চিহ্ন করতে চায় : মঈন খান
বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আওয়ামী লীগের হাতে নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই আ. লীগ সব বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চায়।’
রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শেরেবাংলানগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এই মন্তব্য করেন।
আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতা দখল করার জন্য, কুক্ষিতগত করার জন্য তারা বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করেছে, তারা সংসদকে কুক্ষিগত করেছে।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না। বিএনপি রাজনীতি করে জনগণের জন্য।
পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ সত্যিকারের মালিকানা তাদের নিজের হাতে ফিরে পাবে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ কোনো রাজনৈতিক দলকে অধিকার দেয়নি যে তারা নিজ স্বার্থে অর্থবিত্ত, সম্পদের জন্য, গুলশান টু গুলশান থ্রি তৈরি করার জন্য, সেকেন্ড হোম তৈরি করার জন্য বা এ দেশ থেকে সব সম্পদ লুট করে বিদেশে নিয়ে যাবে। এ কারণে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি।’
জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সদস্যসচিব মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের নিয়ে আবদুল মঈন খান সকালে জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন এবং নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, রিয়াজ উদ্দিন নসু, মৎস্যজীবী দলের আব্দুর রহিমসহ তাঁতী দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দ্বাদশ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মঈন খান বলেন, ‘৭ জানুয়ারি আগেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, কে কোন সিট থেকে জয়ী হবে। সে জন্য জনগণ সেই নির্বাচন বর্জন করেছে।’
তিনি বলেন, “এ দেশে গণতন্ত্র নেই। এটা শুধু আমাদের কথা নয়, বিশ্বের বড় বড় ম্যাগাজিন ও প্রতিষ্ঠান বলছে, আজকে বাংলাদেশে বাকশাল-২ কায়েম করা হয়েছে।
মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। বিশ্বের ইতিহাসে অন্যান্য একটি নাম বাংলাদেশ। যে দেশের স্বাধীনতার জন্য লাখ লাখ মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম পাকিস্তানের এক নায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে, বলেছিলাম পাকিস্তানের অবকাঠামোর ভেতরে কোনো দিন গণতন্ত্র হতে পারে না। প্রতিবাদ করেছিলাম বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানের ২২টি পরিবারের বিরুদ্ধে।’
