৬৫০ টাকা কেজিতে মাংস বেচায় ছুরিকাঘাত, বিক্রেতা নিহত

সিলেটের সময় ডেস্ক :

 

রাজশাহীর বাঘায় ৬৫০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি নিয়ে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে মামুন হোসেন (৩০) নামের এক মাংস বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। তিনি আড়ানী পৌরসভার পিয়াদাপাড়া গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আড়ানী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, মামুন হোসেন ও একই গ্রামের মৃত খোদা বক্সের ছেলে খোকন হোসেন পাশাপাশি গরুর মাংস বিক্রি করছিলেন।

মামুন প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা দরে আর খোকন হোসেন প্রতি কেজি ৭০০ টাকা দরে মাংস বিক্রি করেন। কম দামে মাংস বিক্রি নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে খোকন তাঁর হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে মামুনকে কুপিয়ে জখম করেন। গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান মামুন হোসেন।
 

এ বিষয়ে খোকনের সহযোগী আবদুস সালাম ও রফিকুল ইসলাম বলেন, মামুন ও খোকন পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাই। একসাথে তাঁরা মাংসের ব্যবসা করতেন। কিছুদিন আগে থেকে তাঁরা ব্যবসা আলাদা করেছেন। শনিবার দুজন পাশাপাশি মাংস বিক্রি করছিলেন।

খোকন ৭০০ টাকা আর মামুন ৬৫০ টাকা দরে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি করছিলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক-বির্তকের এক পর্যায়ে শত শত মানুষের মাঝে প্রকাশ্যে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে মামুনকে হত্যা করেন। 

নিহত মামুনের ছোট ভাই মানিক হোসেন বলেন, ‘তারা ব্যবসা আলদা করার পর থেকে খোকন বিভিন্ন সময়ে মামুনকে হুমকি দিয়ে আসছিল। আমাকে বিষয়টি কয়েক দিন আগে জানিয়েছে। যেহেতু আমরা পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাই তাই এ নিয়ে উভয়কে দ্বন্দ্ব না করার জন্য নিষেধ করেছিলাম।

তার পরও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে খোকন।’ 

এ বিষয়ে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনা জানার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এ ব্যাপারে একটি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বর্তমানে খোকন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

এ বিভাগের অন্যান্য