ইরান যুদ্ধে নিজের ভূমিকা স্পষ্ট করলেন এরদোগান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, ইরান কেন্দ্রিক সহিংসতা যাতে আর বৃদ্ধি না পায় সেজন্য জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তুরস্ক।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আনকারায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার উপহার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
তিনি বলেন, কূটনীতি ও সংলাপই ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তির সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
প্রেসিডেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় যে চ্যালেঞ্জ এসেছে, তা সত্ত্বেও তুরস্ক ধৈর্য এবং দৃঢ়তার সঙ্গে শান্তির প্রচেষ্টায় অব্যাহত থাকবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে এরদোগান জাতিসংঘের মহাসচিবের তুরস্ক সফর প্রসঙ্গে বলেন, ২০১৭ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মহাসচিব তার কাজ সম্পাদন করেছেন নিরপেক্ষতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে। প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরটির পর প্রতি সফরই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
এছাড়াও এরদোগান জাতিসংঘের মহাসচিবের শরণার্থী সুরক্ষা, বিশ্বজনীন ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে শাটল কূটনীতি প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্মরণ করেন।
এরদোগান বলেন, আমার প্রিয় বন্ধুকে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতিষ্ঠার জন্য নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠার স্বীকৃতি হিসেবে আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার দিতে পেরে আমি আনন্দিত।
এরদোগান আশা প্রকাশ করেন, রমজান সব মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনুক এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির দরজা খুলুক।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের বৈদেশিক নীতি ‘দেশে শান্তি, বিশ্বে শান্তি’ নীতিটি কেন্দ্রবিন্দুতে রাখি, যা আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা গাজি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, এবং এটিকে আমরা উদ্যোগী, সাহসী ও উদ্যমী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মেলাচ্ছি।
প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তুরস্ক জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাগত মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী সমর্থক, যা মানবজাতির সাধারণ বিবেক, বৈশ্বিক একাত্মতা ও ভবিষ্যতের আশা প্রতিনিধিত্ব করে। যেখানে আগুন, সেখানে আমরা পানি নিয়ে যাই, যেখানে ব্যথা, ট্রাজেডি বা কান্না আছে, সেখানে আমরা আমাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করি।
