ফেসবুকে ‘ব্যঙ্গ’ করায় সংঘর্ষ, বিএনপি-জামায়াত নেতাসহ আহত ৯

সিলেটের সময় ডেস্ক :

 

নাটোরের বড়াইগ্রামে ফেসবুকে ছবি ব্যঙ্গ করে পোস্ট দেওয়ার জেরে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত নেতাসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ও দুপুরে উপজেলার ধানাইদহ বাজার এলাকায় দফায় দফায় এই সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আহতরা হলেন উপজেলার নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা হাসিনুর রহমান, বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি আসাব সরকার, জামায়াত কর্মী রফিকুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিল সৈয়দ, সাইদুল, মনির, শাকিব, সাব্বির ও নাজমা খাতুন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ধানাইদহ বাজারে জামায়াতের এক সমর্থক ফেসবুকে ছবি ব্যঙ্গ করে পোষ্ট করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে জামায়াতের কর্মী সাব্বিরকে মারধর করে বিএনপির কর্মীরা। এ ঘটনা নিয়ে শনিবার সকালে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকারকে মারধর করে জামায়াতের সমর্থকরা। এর জের ধরে বিএনপির সমর্থকরা নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসিনুর রহমানের ওপর দেশী অস্ত্র নিয়ে হামলা করেন।

এ ঘটনার জেরে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকরা দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে দুইপক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হন। এসময় আহত হাসিনুর রহমানসহ দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত অন্যদের পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে জামায়াতের কর্মীদের বাড়িঘর ও একটি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠে বিএনপির সমর্থকদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শাসছুর আলম রনি বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তারা বিএনপির কোনো কর্মী নয়। তারা সন্ত্রাসী।’

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম আমাদের সময়কে বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এতে জামায়াত নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছে।’

এ বিভাগের অন্যান্য