ট্রেজারগান কেন্দ্র করে খুন ঢাবি ছাত্রদল নেতা সাম্য
মাদক কারবারিদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য ও তাঁর বন্ধুরা। এই নিষেধকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে শত্রুতার সূত্রপাত। পরে ঘটনার দিন আসামি কবুতর রাব্বির ইলেকট্রিক ট্রেজারগানকে (ইলেকট্রিক শক মেশিন) কেন্দ্র করে মাদক কারবারিদের ছুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ঢাবি ছাত্রদল নেতা সাম্য। রাজধানীর শাহবাগ থানায় করা সাম্য হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আখতার মোর্শেদ বলেন, আসামি কবুতর রাব্বি ইলেকট্রিক ট্রেজারগান নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করছিল। ট্রেজারগানকে কেন্দ্র করেই মাদক কারবারিদের সঙ্গে সাম্যের হাতাহাতি হয়।
অভিযুক্তরা হলেন—মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ ও মো. রবিন।
