মুরগি ও মসলার দাম বেড়েছে, শতকে শসা
রাজধানীর বাজারে শাক-সবজি ও মুরগির দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি শসা এখন শতের ঘরে। বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমায় এসব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে জিরা, এলাচসহ কয়েকটি মসলার দামও কিছুটা বেড়েছে।
কাঁচা মরিচের বাজারে উত্তাপ কিছুটা কমেছে। ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির ফলে বাজারে সরবরাহ বেড়ে পণ্যটির দাম কিছুটা কমে এসেছে। এর পরও এখনো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী, বাড্ডা ও জোয়ারসাহারা কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন এলাকার সবজিক্ষেত ডুবে গেছে। এ জন্য বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমায় দাম বেড়েছে।
রাজধানীর জোয়ারসাহারা বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. মিলন খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে পাইকারি বাজারে সবজি কম আসছে, এতে দাম কিছুটা বেড়ে গেছে। তবে কয়েক দিন আগের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম কমেছে। কিছুদিন আগে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এখন তা ৬০ টাকা।’
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে মুরগির সরবরাহও কিছুটা কম। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি মানভেদে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম, প্রতি ডজন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।
মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে খামারি পর্যায় থেকে ঠিকমতো বাজারে মুরগি আনা যাচ্ছে না। বৃষ্টির মধ্যেই অল্প মুরগি আনা হলেও বাড়তি গাড়িভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে দাম কিছুটা বেড়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। ভালো মানের এলাচ প্রতি কেজি ছয় হাজার ৫০০ টাকায় উঠেছে। কিছুটা বেড়েছে জিরার দামও, প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, দেশি আদা ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, দেশি মসুর ডাল (চিকন দানা) ১৪০ টাকা, আমদানি করা মসুর ডাল (মোটা দানা) ১১০ থেকে ১২০ টাকা।
