কাতারি প্রধানমন্ত্রী গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কিছু অগ্রগতি দেখছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

 

গাজা উপত্যকায় নতুন যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য নিয়ে মধ্যস্থতাকারী কাতার রবিবার জানিয়েছে, দোহায় এই সপ্তাহে অনুষ্ঠিত আলোচনা কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অল্প কিছু অগ্রগতি হয়েছে।’ ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বারনিয়া ও কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদের মধ্যে বৃহস্পতিবার দোহায় অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের একটি উত্তর খুঁজে বের করতে হবে, কিভাবে এই যুদ্ধ শেষ করা যায়।

আমার মনে হয়, এটা আসলে পুরো আলোচনাপ্রক্রিয়ার মূল বিষয়।’
 

কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র ১৯ জানুয়ারি গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করতে মধ্যস্থতা করেছিল, যা যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান ঘটাতে পারেনি। ওই যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায় মার্চ মাসের শুরুতে শেষ হয়ে যায়, দুই পক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ঐকমত্যে না পৌঁছনোয়। ১৮ মার্চ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল বিমান ও স্থল আক্রমণ ফের শুরু করে, তার আগে মানবিক সহায়তার প্রবাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্ভাব্য জিম্মি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার শেখ মোহাম্মদ কাতারের রাজধানীতে বার্নিয়ার সঙ্গে দেখা করেন।

শেখ মোহাম্মদ বলেন, বৃহস্পতিবারের বৈঠকটি সেই প্রচেষ্টার অংশ ছিল, যেখানে তারা একটি যুদ্ধবিরতি পাওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বৈঠকের বিস্তারিত কিছু উল্লেখ না করলেও বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ করার জন্য আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ খুঁজে বের করতে হবে।’

এর আগে কায়রোতে হামাসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপকালে শনিবার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামাস গাজায় যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চুক্তিতে আগ্রহী, যার মধ্যে সব জিম্মির মুক্তি এবং পাঁচ বছরের জন্য যুদ্ধবিরতি থাকবে।

 

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের প্রচেষ্টা ছিল সর্বোত্তম ও ব্যাপক চুক্তি করার, যা যুদ্ধ শেষ করবে, জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করবে এবং চুক্তিকে অন্য কোনো ধাপে বিভক্ত করবে না।

হামাস জোর দিয়ে বলেছে যে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান হওয়া উচিত। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটির দাবি, তারা ইসরায়েলের আগের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে ১০ জন জীবিত জিম্মির বিনিময়ে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি চাওয়া হয়েছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য