যা বললেন জামায়াতের আমির

সিলেটের সময় ডেস্ক :

 

চট্টগ্রামে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের জানাজা শেষে ফেরার পথে হত্যাচেষ্টার শিকার হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যসচিব সারজিস আলম। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে জামায়াতের আমির লিখেছেন, ‘হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে বহনকারী প্রাইভেটকারকে ট্রাকচাপা! হত্যাচেষ্টা না নিরেট দুর্ঘটনা? তা অবশ্যই যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। বিষয়টি সত্যিই উদ্বেগজনক।’

এর আগে বুধবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাড়িবহরের একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গেছে। এদিন দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মহানগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে ওই জানাজায় অংশ নেন হাসনাত ও সারজিস।

দুর্ঘটনার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। দুর্ঘটনা ও তাদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‌‌‘আমরা শারীরিকভাবে সবাই সুস্থ আছি। আমরা যে গাড়িতে ছিলাম তার সামনের গাড়িতেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘাতক ট্রাকচালক ও হেলপারকে আটক করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ। বুধবার রাতে একই ধরনের স্ট্যাটাসে সারজিস ও হাসনাত লিখেছেন, ‘মারবা? পারবা না। আমরা আবরার ও আলিফের উত্তরসূরী। মনে রেখো-শহীদেরা মরে না।’

এ বিভাগের অন্যান্য