আমদানির ভয়ে কেজিতে ১০ টাকা কমল পেঁয়াজের দাম
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরেই কেজিতে ১০ টাকার মতো কমেছে দাম। আমদানি শুরু হলে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। এদিকে আমদানির আগেই বাজার ধরতে কৃষকরা হালি জাতের পেঁয়াজ আগাম তুলে ফেলছেন। এতে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ছে, কমছে দামও।
গত সোমবার ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের দপ্তরের (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ এক্সপোর্ট লিমিটেডের (এনসিইএল) মাধ্যমে এই পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি হবে। তবে কবে থেকে এই পেঁয়াজ রপ্তানি শুরু হবে তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি।
শ্যামবাজার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ কম।
রাজধানীর জোয়ারসাহারা বাজারের মেসার্স ভাই ভাই স্টোরের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার থেকে প্রতি কেজি হালি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি করছি। মুড়িকাটা পেঁয়াজের তুলনায় হালি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকার মতো দাম কম।’
হিলি : আমদানির খবরে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ১০ টাকা। আমদানি শুরু হলে দাম আরো কমবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল দুপুরে বাংলাহিলি পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুই দিন আগেও যে মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১০০ টাকা থেকে ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, এখন তা ৯০ থেকে ৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘দুই দিন আগে আমি পেঁয়াজ কিনেছি ১০০ টাকা কেজি দরে। আজকে আধাকেজি পেঁয়াজ কিনলাম ৪৫ টাকা দিয়ে।’
বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা মোবারক হোসেন জানান, দুই দিন আগে পাইকারি বাজার থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৯৪-৯৫ টাকা দরে কিনে ১০০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে পাইকারি বাজার থেকে কিনেছেন ৮৭ থেকে ৮৮ টাকা দরে, খুচরা বিক্রি করেছেন ৯০ থেকে ৯৫ টাকা দরে।
