চুরির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

সিলেটের সময় ডেস্ক ঃ

 

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ইজারার দরপত্র চুরির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহকারী মুজাহিদুল ইসলাম শনিবার রাতে এ মামলা করেন।

মামলার আসামি হলেন মাঝিড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান।

অভিযোগ ও এজাহার সূত্র জানায়, ইউএনও সাঈদা খানম গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলার ২২টি হাট-বাজার ইজারা দেওয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করেন। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল। বিকাল ৩টার দিকে দরপত্রের বক্স খোলার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার টেবিল থেকে জামাদারপুকুর হাটের দরপত্র চুরি করেন মাঝিড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. নুরুজ্জামান। দরপত্রটি তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েলকে দেন। ওই দরপত্র ফিরিয়ে দিতে বলা হলেও দেননি। ওই ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর কাহালু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাসিবুর রহমান সুরুজের নামে একটি দরপত্র জমা দেওয়া হয়।

পরে ইউএনও অফিস থেকে যোগাযোগ করে জানা যায়, সুরুজ দরপত্রে অংশ নেননি। এরপর শেখ এন্টারপ্রাইজের মালিক শেখ জানান, চুরি করা জামাদারপুকুর হাটের দরপত্রটি তার।

এ ব্যাপারে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জিলানী জানান, দরপত্র চুরির ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী মুজাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এজাহারে মাঝিড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামানকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নুরুজ্জামান বলেন, দরপত্রের বক্স খোলার সময় তিনি সেখানে ছিলেন। পাশ থেকে দলের এক নেতা তাকে একটি দরপত্র দেখিয়ে সেটি দিতে বলেন। আমি কিছু না বুঝেই সেটি নিয়ে তার (ওই নেতার) হাতে দেই। এরপর কী হয়েছে তা আমি জানি না। পরে শুনতে পাই জামাদারপুকুর হাটের দরপত্র ছিল এবং ওই নেতা সেটি নিয়ে গেছেন। অবশ্য ওই দরপত্রটি সেই নেতার কাছ থেকে আবার ফিরিয়ে এনে দিয়েছি। এখানে আমার কোনো দোষ নেই। আমি শুধু শুধু ফেঁসে গেছি মাত্র।

এ বিভাগের অন্যান্য