স্ত্রীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নওয়াজের

বিনোদন ডেস্ক ঃ

 

বলিউড অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী তার স্ত্রী আলিয়ার সঙ্গে পারিবারিক ঝালেমার কারণে বেশ কিছুদিন থেকেই গণমাধ্যমে শিরোনাম হচ্ছেন। গত ২৩ জানুয়ারি নওয়াজের মা মেহরুননিসা সিদ্দিকী এই অভিনেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন। এ ঘটনায় মুম্বাইয়ের ভারসোভা পুলিশ আলিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল।

এ বিষয়ে আলিয়ার আইনজীবী সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, নওয়াজের পরিবার আলিয়াকে নির্যাতন করছে, তাকে খাবার, বিছানা ও টয়লেটের অ্যাক্সেস থেকেও বঞ্চিত করছে।

অন্যদিকে আলিয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে নওয়াজউদ্দিনের আইনজীবী নাদিম জাফর জাইদি বলেন, আলিয়া এখনো তার প্রথম স্বামী বিনয় ভার্গবকে তালাক দেননি। ২০১১ সালে নওয়াজউদ্দিনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেও তিনি এখনো তার বিবাহিত স্ত্রী।

অভিনেতার আইনজীবী বলেন, ২০০১ সালে আলিয়া ওরফে অঞ্জলি কুমারী, অষ্টম শ্রেণি ফেল বিনয় ভার্গবকে বিয়ে করেছিলেন।  তারপর তিনি মুম্বাই আসেন এবং অঞ্জনা পান্ডে হন। এরপর ২০১০ সালে আবারো নাম পরিবর্তন করে হন অঞ্জনা আনন্দ। তারপর তিনি জয়নব নাম ধারণ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

এরপর ২০১০ সালে নওয়াজকে বিয়ে করেন এবং ২০১১ সালে পারস্পরিক সম্মতিতে তাকে তালাক দেন; কিন্তু নওয়াজের ক্যারিয়ার যখন আকাশচুম্বী, তখন তিনি আবার আলিয়া হয়ে তার জীবনে আসেন। ২০২০ সালে তিনি তাকে বিয়েবিচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়েছিলেন; যার কোনো অর্থ নেই, কারণ দুজন ইতোমধ্যে আলাদা হয়ে গেছেন।

আইনজীবী আরও দাবি করেন, অঞ্জনা ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালে রাহুল নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন এবং দুজন মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের একটি ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন।  অঞ্জনার বড় হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে তারা একটি গ্যাং গঠন করেছিল, যার মধ্যে একজন ছিল তার বোন অর্চনা পান্ডে। নওয়াজউদ্দিন ও আলিয়ার দুটি সন্তান রয়েছে। আলিয়া নওয়াজউদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

২০২০ সালের মে মাসে বিয়েবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন, এমনকি  নওয়াজের বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগও করেছিলেন তিনি। এর কয়েক মাস পরে আলিয়া বিয়েবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।

এ বিভাগের অন্যান্য