মাটির নিচের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে মারিয়া উসমানোভার কথা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

‘বিশ্বাসই হচ্ছে না। দুই দুইটি মাস অন্ধকার মাটির নিচের জীবন। বাসে উঠে স্বামী ভাসিয়াকে বললাম, আমাদের তাহলে আর টর্চ নিয়ে টয়লেটে যেতে হবে না? ময়লার ব্যাগে টয়লেটের কাজ সারতে হবে না?’ (হাসি)

কথাটি বলছিলেন, আজভস্তাল ইস্পাত কারখানার ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে মুক্ত আলোয় পা রাখা মারিয়া উসমানোভা। মারিয়াসহ শতাধিক লোককে রবিবার সেখান থেকে বের হওয়ার পর ইউক্রেনের রুশ-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের বেনজিমেনে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া অনেককে ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডেও নেওয়া হয়।

বেনজিমেনে গ্রামে মারিয়া উসমানোভা সাংবাদিকদের বলেন, যুদ্ধ কাছে ঘনিয়ে আসছে দেখে স্বেচ্ছায় আজভস্তালে আশ্রয় নিয়েছিলাম আমরা। কারখানার কর্মীদের মতো। ক্রমেই আমরা বেশি করে ভয় পাচ্ছিলাম। শহর ছাড়ার চেষ্টা করেছি। আমরা মানবিক করিডোরের কথা শুনেছি। কিন্তু আমাদের বের হতে দেওয়া হয়নি। আশপাশেই গোলা পড়া শুরু হলে তখন আমার বুক ধড়ফড় করতে লাগলো। মনে হলো এবার আর বাঁচবো না।

kalerkantho

মারিয়া জানান, ভূগর্ভ থেকে বের হওয়ার সময় তাদের শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। কারণ বোমা, গোলার জন্য সেখানে বাতাসে অক্সিজেনের অভাব হচ্ছিল। এতদিন পর বাইরে বেরিয়ে এসেও একটু হাঁটতেও ভয় লাগছিল তার।

সূত্র: বিবিসি

 

এ বিভাগের অন্যান্য