নবীগঞ্জে ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষকের পলায়ন

সিলেটের সময় ডেস্ক ঃ

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষকের পলায়ন।

ঘটনাটি ঘটেছে নবীগঞ্জ শহরের অভয়নগর এলাকায় অবস্থিত আরমান উল্লা হাইস্কুল ইসলামী একাডেমীতে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচলা সমালোচনার ঝড় বইছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বাউশা ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জনৈক কন্যা আরমান উল্লাহ ইসলামীক একাডেমির ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল সে। স্কুলে আসার যাওয়ার সুবাধে শিক্ষক ফয়ছাল আহমেদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফয়ছাল ওই স্কুলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়ে অন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষকতা করলেও তিনি প্রতিনিয়তই ছাত্রীর সাথে দেখা স্বাক্ষাৎ প্রেম আলপন চালিয়ে যেতেন। এরই সুবাাধে গত ২৫ এপ্রিল আরমান উল্লাহ ইসলামীক একাডেমি থেকেই ভালবেসে ঘর বাধার স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষক ফয়ছাল আহমেদের হাত ধরে পালিয়ে যান ওই ছাত্রী।

শিক্ষকের সাথে ছাত্রীর পলায়ন বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে গেলে রসালো সমালোচানার ঝড় বইতে শুরু করে। ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায় নিয়ে ছাত্রীর মা জানান। তিনি আরো বলেন প্রতিদিনের ন্যায় আমার মেয়ে স্কুলে গেলে আর বাড়ি ফিরেনি। সকল  আত্নীয় স্বজনের বাসা বাড়ি খোঁজে থাকে না পেয়ে  নবীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় আরমান উল্লাহর ইসলামী একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোঃ সুহেল আহমদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে  বলেন,ফয়ছাল আহমদ আমাদের একাডেমীর সাবেক শিক্ষক তিনি বর্তমানে অন্য এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। মেয়েটি আমাদের স্কুলের ছাত্রী। স্কুল ছুটির হওয়ার পরে ছাত্রী বাড়ী যাওয়ার পথে ঘটনাটি ঘটেছে।

তিমিরপুর দারুল হিকমাহ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল লুৎফুর রহমান জানান,ফয়ছাল আমাদের মাদ্রাসায় ২ মাস পূর্বে ইংরেজি শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন।ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমার সাথে পরামর্শ করেছেন ছাত্রীর আত্নীয় ও একাডেমীর শিক্ষকবৃন্দ। কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইনানুক ব্যবস্থা নিব।

 

এ বিভাগের অন্যান্য