মিতু হত্যা মামলা: বাবুলের হাতের লেখার মিল পেয়েছে সিআইডি

সিলেটের সময় ডেস্ক ঃ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার এক নারী কর্মীর কাছ থেকে একটি বই উপহার পেয়েছিলেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আলামত হিসেবে সেই বই জব্দ করে পুলিশ। বাবুল আক্তারের হাতের লেখা পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক আবু জাফর মো. ওমর ফারুক। পরে আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) এসংক্রান্ত পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, উপহার পাওয়া বইয়ের হাতের লেখার সঙ্গে বাবুল আক্তারের হাতের লেখার মিল পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ওমর ফারুক জানান, উপহার হিসেবে পাওয়া বইয়ে বাবুলের হাতের লেখা ছিল ইংরেজিতে। সেই লেখার সঙ্গে বাবুলের হাতের লেখার তুলনামূলক পরীক্ষার সাধারণ ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের মিল পাওয়া গেছে। সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে ইংরেজি অক্ষর ‘আর’, ‘ই’, ‘পি’, ‘এন’, ‘ও’ ইত্যাদি বর্ণ লেখার বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতির মিল রয়েছে। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে মুভমেন্ট, স্পিড, স্কিল, লাইন, কোয়ালিটির মিল রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরো বলেন, বইয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তথ্য লেখা ছিল। সেই লেখার মিল পাওয়ার বিষয়ে সিআইডি প্রতিবেদন দিয়েছে। মামলাটি এখনো তদন্তাধীন।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড় এলাকায় মাহমুদা খানম মিতুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। গত বছরের ১২ মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পিবিআই। ওই দিনই মিতুর বাবা পাঁচলাইশ থানায় আরেকটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন বাবুল আক্তার। পরে আদালতের নির্দেশে বাবুলের মামলাটি সচল হয় এবং মিতুর বাবার মামলায় পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর দুই মামলার নথি একীভূত করে তদন্তের আদেশ দেন আদালত।

এ বিভাগের অন্যান্য