দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বাংলাদেশে নতুন নয় : হানিফ

সিলেটের সময় ডেস্ক ঃ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, হঠাৎ করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়া বাংলাদেশে নতুন নয়। বহু সরকারের আমলেই এ ধরণের ঘটনা ঘটে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দায়ী। অজুহাত দিয়ে তারা দাম বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, তেলের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেল। অজুহাতটা কী? সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহ ঘাটতিতে দাম বেড়ে গেছে। এখানে যে ব্যবসায়ীরা তেলের দাম বাড়াচ্ছেন তারা দুই মাস আগে তেল এনেছেন। তখন তো তেলের বাজার কম ছিল। তাই এখন তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিকতা নেই।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার বক্তব্য কোনো দায়িত্বশীল রাজনীতিবিদের বক্তব্য নয়। সরকারের কোনো নেতা এই তেল ব্যবসার সাথে জড়িত আছে? যার মাধ্যমে তেলের দাম বেড়েছে? বরং খোঁজ নিলে দেখা যাবে তেল ব্যবসায়ীদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনীতির সাথে যুক্ত। এটা ব্যবসায়ীক বিষয়। এটাকে রাজনীতিতে রূপ দেওয়ার কোনো কারণ নেই।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ, এটা আমাদের জন্য অহংকার। ১৮ মিনিটের ভাষণে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। এ ভাষণ সারা বিশ্বের স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের চিরন্তন অনুপ্রেরণা। এটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ। যে ভাষণে একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। এখান থেকেই সারা বিশ্বে তাদের মেধার বিকাশ ঘটিয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারবে। তারা বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূরের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো.আশরাফ উদ্দিন প্রমুখ।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মুহাম্মদ শাহীনূল কবীর, শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আশরাফুজ্জামান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) ফারজানা আক্তার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামছুদ্দীন আহমেদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য