তিন খুনের নেপথ্যে মেহজাবিনদের পরিবারে ‘অস্বাভাবিক সম্পর্ক’

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় বাবা-মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তদন্তে মেহজাবিনদের পরিবারে ‘অস্বাভাবিক সম্পর্কের’ কথা উঠে এসেছে।  তিন খুনের ঘটনায় চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে পরিবারটির বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুনকে।  এদিকে এই মামলার আরেক আসামি মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিকে মেহজাবিনের স্বজনদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা শফিকুলই। সে ঠাণ্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনা করেছে।

মামলার তদন্তে পরিবারটিতে অস্বাভাবিক সম্পর্কের কথা জানতে পেরেছে পুলিশ। আর এমন সম্পর্কের জন্য শফিকুলকেই দায়ী করছেন মেহজাবিনের স্বজনরা। তার খালা ইয়াসমিন বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেহজাবিনকে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত শফিকুল। একপর্যায়ে তার ছোট বোন জান্নাতুলকেও সে একই ধরনের নির্যাতন শুরু করে। তার ইচ্ছে ছিল দুই বোনকে তার কাছে রেখে শ্বশুর বাড়ির সব সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার। তাকে জিজ্ঞেস করলেই এই ঘটনার সব জানা যাবে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে শফিকুলের ‘ঠাণ্ডা মাথার খুন’ উল্লেখ করে তার ফাঁসি দাবি করেন।

গত ১৯ জুন সকালে কদমতলীর মুরাদপুর রজ্জব আলী সরদার রোডের ৫তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুলের (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অচেতন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই, আসামি মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে নিহতের বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য