সম্মেলনের দুই বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি পায়নি সিলেট যুবলীগ!

২০১৯ সালের জুলাই মাসে সম্মেলনের মাধ্যমে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়। সেই সময়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর উপস্থিতিতে সম্মেলনে সিলেট জেলা যুবলীগে শামীম আহমদ (ভিপি শামীম) সভাপতি ও শামীম আহমদ সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর যুবলীগে আলম খান মুক্তি সভাপতি ও মুশফিক জায়গীরদার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। কিন্তু প্রায় দুই বছর পার হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে পারেন নি এ দুই ইউনিটের দায়িত্বশীলরা। এতে করে চার নেতায় আটকে আছে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। এতে পদ-পদবী প্রত্যাশীদের অপেক্ষা বাড়ছে।

যুবলীগের কমিটি গঠনের পর থেকে চার নেতায় চলছে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। প্রায় দুই বছর পার হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় বেরিয়ে আসছে না আর কোনো নতুন মুখ; এমন দাবিও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। তিন বছর মেয়াদের কমিটি দুই বছর অতিবাহিত হচ্ছে এখনও পূর্ণাঙ্গ করতে পারেননি তারা!

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এই দুই ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা, এমন অভিযোগও তৃণমূলের।

সিলেট যুবলীগের একটি সূত্র জানায়- সিলেট মহানগর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই আর ২৯ জুলাই হয় সিলেট জেলা যুবলীগের সম্মেলন। এর আগে ২০০৩ সালে জেলা যুবলীগে এবং ২০০৪ সালে মহানগর যুবলীগে সম্মেলন হয়েছিল। তবে ওই সময় নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোট হয়নি। সিলেট যুবলীগে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করা হয় ১৯৯২ সালে। এরপর ২০১৯ সালের জুলাই মাসে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের সম্মেলনে কাউন্সিলররা ভোট দেয়ার সুযোগ পান। সেই সময়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর উপস্থিতিতে সম্মেলনে সিলেট জেলা যুবলীগে শামীম আহমদ (ভিপি শামীম) সভাপতি ও শামীম আহমদ সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর যুবলীগে আলম খান মুক্তি সভাপতি ও মুশফিক জায়গীরদার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ চার নেতার তিনজনই আগে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বে ছিলেন। সিলেট জেলা যুবলীগে ভিপি শামীম আগের কমিটিরও সভাপতি ছিলেন। মহানগর যুবলীগে সর্বশেষ কমিটির আহবায়ক ছিলেন আলম খান মুক্তি, যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন মুশফিক জায়গীরদার।

এ বিভাগের অন্যান্য