লন্ডনে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী সিলেটিদের নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ

লন্ডনে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী সিলেট, মৌলবীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের ছাত্র ছাত্রীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভূক্তভোগী ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ ঢাকার খান এসোসিয়েট নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বিপিপি ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশের সোল এজেন্ট শামস খান লন্ডনে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী বৃহত্তর সিলেটের ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় লন্ডনের বিপিপিতে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদেরও তিনি বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছেন।
জানা যায় ইউকে.ভি.আই উদার শিক্ষানীতির কারনে বাংলাদশে থেকে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ইউকে যাচ্ছেন। সে ধারায় সিলেট থেকেও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীও পড়াশুনার লক্ষ্যে ইউকে তে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হচ্ছেন। এখানে, উলেখ্য যে, গত এক শতাব্দী থেকে লন্ডনে সিলেটি কমিউনিটির মানুষগুলো সম্মানের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। শুধু তাই নয় প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে লন্ডনী সিলেটিদের অংশগ্রহণ একেবারে নগণ্য নয়। লন্ডনি সিলেটিরা প্রবাসে থেকে সব সময় বাংলাদেশের মানুষের সাথে ছিলেন। লন্ডনি সিলেটিরা ব্যবসা বানিজ্য, শিক্ষা-দীক্ষায় উন্নতির মাধ্যমে লন্ডনে তথা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছেন। কিন্তু লন্ডনে সিলেটের বাইরের কিছু লোক বৃহত্তর সিলেট কমিউনিটির লোকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন খান এসোসিয়েটস্ এর স্বত্ত্বাধিকারী শামস খান। যিনি বাংলাদেশে বিপিপি ইউনিভার্সিটির প্রধানতম ছাত্র সংগ্রহের দায়িত্ব প্রাপ্ত এজেন্ট। বিপিপি ইউনিভার্সিটির পূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে যেন উনি বৃহত্তর সিলেটিদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছেন। বিপিপিতে পড়তে আগ্রহী সিলেটি ছাত্রদের উনি বিভিন্নভাবে হেনস্তা করেন। তাছাড়া ঢাকার যে ফার্মগুলো সিলেটি স্টুডেন্টদের সহায্য করেন উনি তাদেরকে বিভিন্নভাবে ধমকান সিলেটি ছাত্রদের ভর্তি না করার জন্য।
এখন ঢাকার ফার্মগুলোতে উনি বিপিপি ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাপ্ত দাবি করে মনগড়া একটি মেইল উনার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বর থেকে বিলি করছেন। কিন্তু আদতে এ মেইলটি আসলেই বিপিপি ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাপ্ত কিনা সে বিষয়ে সবাই সন্দিহান। মেইলটিতে লিখা যে, বৃহত্তর সিলেট অর্থাৎ সিলেট, সুনামগঞ্জ মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ থেকে বিপিপি ইউনিভার্সিটির সিদ্ধান্তক্রমে কোন ছাত্র বিপিপিতে ভর্তি করা হবে না। পরবর্তী পর্যায়ে যারা টিউশন ফি পে করছে তাদেরকে পেমেন্ট করতে নিষেধ করা হচ্ছে। এ সংবাদটি লন্ডনি সিলেটি কমিউনিটির লোকদের মাঝে ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে।
ইংল্যান্ডের মতো একটি মতো একটি সভ্য উন্নত দেশে যেখানে সমঅধিকার নিশ্চিত করা হয় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে যাদের অবস্থান, তরেদরই একটা ইউনভির্সিটি থেকে বৈষম্যমূলক মেইলটি পাওয়া আসলেই হতাশাব্যঞ্জক।
তাছাড়া মেইলটি আসলেই বিপিপি থেকে প্রাপ্ত নাকি মেইলটি প্রচারে ব্যস্ত ব্যক্তি খান এসোসিয়েটস এর কর্ণধার শামস খান এর বানানো তা নিয়েও রয়েছে ধুম্রজাল।
এখানে উল্লেখ যে, শামস খানের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার থেকে পাঠানো এ বার্তাটি বৃহত্তর সিলেট কমিউনিটির প্রতি চরম বৈষম্যমূলক আচরণ ও মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিভাগের অন্যান্য