রিজার্ভ থেকে ঋণ নেয়ার সিদ্ধান্ত ‘চূড়ান্ত হচ্ছে’

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য ঋণ নেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে। আগামী বাজেটের আগেই এটি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

এর আগে গত জুলাই মাসে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ওই মাসে একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী রিজার্ভ থেকে ঋণের প্রসঙ্গ তুলে বলেছিলেন- আমরা বিদেশিদের কাছ থেকে ডলারে ঋণ নিই। আমাদের রিজার্ভ এখন ৩৬ বিলিয়ন ডলার। এখান থেকে আমরা ঋণ নিতে পারি কিনা? বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের পক্ষে এই টাকা সংরক্ষণ করে। ওখান থেকে আমরা প্রকল্পের জন্য ঋণ নিতে পারি। বিদেশ থেকে আমরা যে সুদে ঋণ আনি তা একটু কম হলেও দেশের টাকা ব্যবহার করলে লাভটা দেশেই থাকবে।

এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, আমি মনে করি- প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন।  বাইরে ইনভেস্ট করলে আমরা ১ থেকে ২ শতাংশের বেশি পাই না। আমরা বিশ্বাস করি, সরকারি প্রতিষ্ঠানে যদি বিনিয়োগ করা হয় এবং সেগুলো ডলারে রিসিভ করতে পারি তাহলে ফান্ড ফ্লো ইনটেক থাকল এবং আমাদের ইনকামটাও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।

গত ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন (৪ হাজার ২০০ কোটি) ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে যায়।  যা বিজয়ের মাসে আরেক ইতিহাস তৈরি হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেই ঠিক করেছিলাম ৩০ ডিসেম্বরের আগে রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাব। আমরা তার আগেই তা নিয়ে যেতে পেরেছি। এটিই জাতির জন্য পাওনা।

তিনি বলেন, আমাদের কমিটমেন্ট আছে ২০৩০ সাল নাগাদ আমরা ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাব। হিসাব করেই বলছি এবং প্রত্যাশা করি, সে লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারব।

এ বিভাগের অন্যান্য