শনিবার থেকে সিলেটে শৈত্যপ্রবাহ

আজ বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে শীতকাল। তবে তার আগে থেকেই জেঁকে বসেছে শীত। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, শুক্রবার থেকে তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করবে। আর শনিবার থেকে সিলেটসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চল দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে। তা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও সিলেট বিভাগেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিন দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে তা সাত থেকে আট ডিগ্রিতে নেমে যেতে পারে। এটাই হবে এই মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়াবিদদের মতে, কোনো এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে শৈত্যপ্রবাহ বলা যায়।
বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেন, শুক্রবার থেকে তাপমাত্রা কমে শনিবার থেকে দেশের কয়েকটি স্থানে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে। এই শৈত্যপ্রবাহ কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে।

দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা এক দিনের ব্যবধানে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে গেছে। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরাঞ্চলের অন্য জেলাগুলোর সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। তবে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকা থেকে কুয়াশা কেটে গেছে। আকাশেও আর মেঘ নেই। ফলে অনেক সময় ধরে রোদের দেখা মিলছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোদ থাকায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। অবশ্য সন্ধ্যা নামতেই শীত বেড়েছে। রাতে নদীর তীরসহ বিভিন্ন স্থানে কুয়াশাও পড়েছে।

এদিকে মেঘ-কুয়াশা কাটলেও ঢাকার বায়ুর মান আরও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে। রোববার ও সোমবার ঢাকার বায়ুর মানের সূচক ২০০–এর নিচে ছিল। আজ তা আবারও ২১৪ সূচকে উঠে আসে। বায়ুর মানের দিক দিয়ে বিশ্বের অস্বাস্থ্যকর প্রধান শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান মঙ্গলবার সারা দিনই এক থেকে তিনের মধ্যে ছিল। সন্ধ্যা ছয়টায় ঢাকার অবস্থান ছিল ২ নম্বরে। শীর্ষতম স্থানে ছিল কিরগিজস্তানের বিশকেক। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে ছিল যথাক্রমে মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর, পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের দিল্লি।

এ বিভাগের অন্যান্য