নির্দেশন অমান্য: রায়পুরের সেই ৭ হাসপাতালে ফের অভিযান

নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় সাতটি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা অমান্য করায় আবারও অভিযান চালিয়েছেন সিভিল সার্জন।

শনিবার দুপুরে শহরের হাসপাতালগুলো অভিযান চালান সিভিল সার্জন আবদুল গফফার।

আজ রোববার চিঠি দিয়ে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেন।

গত ২৫ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সিভিল সার্জন অভিযান চালায় বাসটার্মিনাল এলাকার মাতৃছায়া ও সরকারি হাসপাতালের পাশেই সেবা ছাড়া অন্য সাতটি প্রাইভেট হাসপাতালে। এ সময় বন্ধের জন্য মৌখিক ও পর দিন সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বাহারুল আলমের মাধ্যমে লিখিতভাবে বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

প্রাইভেট হাসপাতালগুলো হচ্ছে– রায়পুর সরকারি হাসপাতালের সামনে নিরাময়, মডার্ন, জনসেবা, বাসটার্মিনাল এলাকায় মেহেরুন্নেসা, মা ও শিশু, তাজমহল সিনেমা হলের সামনে মেঘনা ও সাবরেজিস্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত ম্যাক্স কেয়ার হাসপাতাল এবং তাজমহল সিনেমা হলের সামনে পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

সিভিল সার্জন ডা. আবদুর গফফার বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা বা সিলগালা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাচ্ছি– আমাদের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো সুষ্ঠু নিয়মে চলুক। আইনের মধ্যে থেকে সেবা নিশ্চিত করুক।

গত ২৩ আগস্ট নবায়ন করার শেষ সময় পার হলেও তা না করাসহ রায়পুরের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে সমস্যা পাওয়া গেছে। সে জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাগজপত্রসহ অন্যান্য সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা গত চার মাস পার হওয়ার পরও কেন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে তা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে আবারও লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত অভিযানে সিভিল সার্জনসহ তার টিম অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি, প্যাথলজিক্যাল ল্যাব পরিদর্শন করেন, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেন বলেন, সিভিল সার্জনে নির্দেশে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। গত চার মাসেও কেন হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম বন্ধে-কাগজপত্র সঠিক করা হয়নি, তা জানাতে রোববার হাসপাতালগুলোকে লিখিতভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য