ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হোপ হিকস করোনায় আক্রান্ত

কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের একজন হোপ হিকস।

বিবিসি জানায়, আসন্ন মার্কিন নির্বাচন সামনে রেখে মঙ্গলবার টিভি বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার সঙ্গে এয়ারফোর্স ওয়ানে করে ওহিওতে গিয়েছিলেন উপদেষ্টা হিকস।

ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জো বাইডেনের মধ্যে নির্ধারিত তিনটি বিতর্কের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হয় এদিন।

এমনকি বুধবারে হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ানে চড়তেও ট্রাম্পের সঙ্গী ছিলেন ৩১ বছর বয়সী হিকস।

ট্রাম্পের খুব ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে এই প্রথম কেউ করোনায় আক্রান্ত হলেন।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, উপদেষ্টা হিকসের সংস্পর্শে আসায় ট্রাম্প এবং ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রেজাল্টের অপেক্ষায় আছেন তারা।

উপদেষ্টার করোনা পজিটিভ হওয়ার খবরে ট্রাম্প ও মেলানিয়া কোয়ারেন্টিনে চলে গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প নিজেই। টুইটারে ট্রাম্প লিখেছেন– ‘সে (হিকস) খুবই পরিশ্রমী। কাজের ব্যাপারে খুবই সচেতন। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কাজ করতেন। সে মাস্ক পরেই কাজ করতেন, বহু মাস্ক পরেছেন। তবু তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। আমরা একসঙ্গে বহু সময় কাটিয়েছি। তাই আমি ও ফার্স্টলেডিও করোনা টেস্ট করিয়েছি।’

ট্রাম্প আরও লেখেন– ‘আমরা কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছি।’

জানা গেছে, ট্রাম্পের করোনা টেস্টের ফল আজ শুক্রবার পাওয়া যাবে।

ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, হিকসের করোনা ধরা পড়েছে। এই মাত্র আমি শুনলাম।

মঙ্গলবার ট্রাম্পের সঙ্গে এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ার সময় মুখে মাস্ক ছিল না হিকসের। সেই সময়ের তোলা ছবিতেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

একদিন পর মিনেসোটায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি নির্বাচনী সমাবেশও অংশ নেন তিনি।

এসব সফরে ট্রাম্পকেও মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। করোনার শুরু থেকেই তার মাস্ক না পরা নিয়ে বিতর্ক আছে। এ ছাড়া সরকারি ব্যস্ততার সময় উপদেষ্টা ও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে তাকে সামাজিক দূরত্বও মানতে দেখা যায় না।

ব্লুমবার্গ নিউজ জানিয়েছে, হিকসের করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছিল এবং এয়ারফোর্স ওয়ানে মিনেসোটা থেকে ফিরেই তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন।

তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানাতে চাননি হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জুড ডিরে।

বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার দিক দিয়ে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ৭৫ লাখের মতো মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন দুই লাখ ১২ হাজারের বেশি

এ বিভাগের অন্যান্য