শামসুদ্দিন হাসপাতালের স্টোর কিপারের পরিবারের কেউই করোনায় আক্রান্ত নন

সিলেটে করোনা আক্রান্ত শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের স্টোর কিপারের পরিবারের কেউই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

তিনি জানান, রোববার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তার পরিবারের সকলের টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এদিন ১৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

সিলেট নগরীর চৌহাট্টাস্থ শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য খোলা আইসোলেশন সেন্টারে কর্মরত অবস্থায় গত ২২ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন এ স্টোর কিপার। পরদিন ২৩ এপ্রিল তার পরিবারের ৫ সদস্যের করোনা টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয় তারা হলেন- স্টোর কিপারের স্ত্রী, তার ১০ বছরের কন্যা সন্তান ও ৪ বছরের পুত্র সন্তান। অন্য দুইজন হলে স্টোর কিপারের শ্যালক ও শ্যালিকা। যাদের বয়স ত্রিশোর্ধ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, করোনা আক্রান্ত শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের স্টোর কিপারের সংস্পর্শে আসা পরিবারের পাঁচ সদস্য ও হাসপাতালটিতে কর্মরত চিকিৎসকসহ মোট ২৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যাদের মধ্যে ১৫ জনের রিপোর্ট জানানো হয়। এই ১৫ জনের কেউই করোনায় আক্রান্ত নন। এদের মধ্যে স্টোর কিপারের পরিবারের ৫ সদস্য রয়েছেন।

এ ব্যাপারে ডা. হিমাংশু লাল রায় জানান, সকলের প্রতিবেদন এখনো আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। তবে যে ১৫টি রিপোর্ট আমরা পেয়েছি তার সবগুলোই নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া বাকি আরও ১৩টি টেস্টের প্রতিবেদন আজ রাতে পাওয়া যেতে পারে বলেও জানান এ চিকিৎসক।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায় ১৩ জনের করোনা পজিটিভ আসে। তাদের মধ্যে সিলেট জেলার দুইজন ছিলেন। এদের একজন শিক্ষানবিস চিকিৎসক যিনি সম্প্রতি করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত গাজীপুর থেকে সিলেট ফেরেন ও অপরজন শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের স্টোর কিপার। বাকিদের ৫ জন হবিগঞ্জ জেলার, ৪ জন সুনামগঞ্জের ও ২ জন মৌলভীবাজারের।

এ বিভাগের অন্যান্য